Corporate Social Responsibility

ইউনাইটেড ট্রাষ্ট (ইউ টি)

মহান আল্লাহ্‌র অশেষ কৃপায় ১৯৭৮ সালে ইউনাইটেড গ্রুপ এর যাত্রা শুরু করে এবং দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় আজ তা দেশের অন্যতম ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিনিত হয়েছে। এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় ইউনাইটেড গ্রুপ সমাজের প্রতি তার অঙ্গীকারের কথা কখনই ভুলে যায়নি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে।এই কাজকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে ইউনাইটেড গ্রুপ ইউনাইটেড ট্রাষ্ট গঠন করে। সামাজিক ভাবে অনগ্রসর দেশের পল্লী অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নত করাই এর প্রাথমিক লক্ষ্য। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কাজ - দেশের মানুষের এইসব মৌলিক চাহিদার কথা বিবেচনা করে মুলত এটি করা হয়েছে।

ইউনাইটেড ট্রাষ্ট তার উদ্দেশ্য অনুযায়ী প্রাথমিক ভাবে চলমান প্রকল্পগুলোর মান উন্নয়নের লক্ষে এবং অন্যের মৌলিক চাহিদার কথা বিবেচনা করে নিত্য নতুন প্রকল্প হাতে নিচ্ছে। গত আড়াই বছরে দেশের চারটি জেলায় শিক্ষা খাতের অবকাঠামো ও গুনগত মান উন্নয়নের জন্য একটি ডিগ্রী কলেজে, চারটি উচ্চ বিদ্যালয়, ছয়টি আলিয়া মাদ্রাসা (কামিল এবং ফাজিল), তিনটি হেফজখানা, পাঁচটি অনাথআশ্রম এবং এগারোটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। স্বাস্থ্যখাতে, এটি জামালপুরের মালঞ্চে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট গ্রামীণ হাসপাতাল, মুন্সীগঞ্জের বিক্রমপুরে বহির্বিভাগ সুবিধা সম্বলিত ৩০ শয্যা বিশিষ্ট গ্রামীণ চক্ষুক্লিনিক, কিশোরগঞ্জের মতখোলাতে ১০ শয্যা বিশিষ্ট গ্রামীণ স্বাস্থ্যক্লিনিক, জামালপুরের মোমেনাবাদ এবং ফেনীর নিজকুঞ্জরাতে ছোট পরিসরে বহির্বিভাগ সুবিধা সম্বলিত ক্লিনিক স্থাপন করেছে। এইসব ক্লিনিকের বহির্বিভাগে বছরে গড়ে ৫০০০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসে এবং ২০০০ জনের চোখের ছানি অপারেশন হয়।

এছাড়াও ইউনাইটেড ট্রাষ্ট পল্লী অঞ্চলে বিবিধ প্রকল্প চালু রেখেছে যেমন গ্রামের মহিলা ও ছোট দোকানদারদের জন্য “সুদবিহীন ক্ষুদ্র ঋণ”, প্রান্তিক চাষিদের জন্য “সুদবিহীন কৃষি ঋণ”, বেকার যুবকদের জন্য “ভোকেশনাল ট্রেনিং” গ্রামীণ মহিলাদের জন্য “হস্তশিল্প প্রকল্প”, উন্নত চিকিৎসা, সুবিধা বঞ্চিত দরিদ্র লোকদের বিয়ের জন্য ”আর্থিক সাহায্য”,”বয়স্ক ভাতা”, “গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা” ও “নিরাপদ খাবার পানি”।মসজিদ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তৈরিতেও এই ট্রাষ্ট উল্লেখযোগ্য আর্থিক সাহায্য প্রদান করে থাকে।বয়স্ক ও দুস্থ পরিবার যাদের দেখাশুনা করার কেউ নেই তাদের জন্য এই ট্রাষ্ট জামালপুর অঞ্চলে একটি “বৃদ্ধাশ্রম” এবং “গুচ্ছগ্রাম” তৈরির পরিকল্পনা করছে।